0

ভালোবাসায় বাঁধি ভালোবাসা

Share

ঊর্মি চৌধুরী

অসম বয়সের প্রেম কিংবা অসম বয়সের বিয়ে এসব চাঙা খবরেও যখন নিজেকে নিজের ভাবনাতে গুটিয়ে নিয়ে সমানতালে এগিয়ে যায় দৈনিক রোজনামচা ধরে নিলাম মনটা এখন শক্ত খুঁটিটার সাথে অনেকটা মিলিয়ে নিয়েছে,বয়েসটাও বৃত্তের পরিধি ঘুরে মাঝ বরাবর অবস্থান করছে হয়তো-বা। ।পঞ্জিকার দিন তারিখের অনর্গল  হিসেবে নতুবা বিজ্ঞজনের আদি ধারণায় চল্লিশ যেন মধ্যমণি হয়ে মনের মণিকোঠায় স্থান পেয়েছে। এই চল্লিশে এসেই কারো কারো ভীমরতি হলেও সবাই নাকি আপাদমস্তক মানুষ হয়ে উঠি আমরা। তা-ই নাকি! স্মৃতির ভাগাড় থেকে তুলে আনা তেতো মিষ্ট অভিজ্ঞতা সামনে পা ফেলতে বারবার হুঁশিয়ারি দেয় মনকে। তবে, মনের বয়স আঠারোই ঠিক এটা আর বুড়ো কিংবা বড় হতে চায় না। তাই মাঝ বয়সে এসেও আমরা কেবল শৈশব-কৈশোরের নস্টালজিয়ায় ভাসতে ভালোবাসি খুব ।নিজেকে হয়তো আরেকবার গড়ে নিতে চাই, একান্ত আমি হয়ে উঠতে চাই…এটাকেই ভীমরতি বলে কিনা কে জানে!!

“ওরা কী চায়! কেন চায়! কিছুই হয় না জানা,

এ এক অন্য সময় ওদের, অন্য হিসেব নিকেশ,

জানালার ওপাশে ডাকে মৌন বিকেলটায় 

চারপাশে একাকিত্বের বেড়াজাল। 

মধ্যাহ্নটা কেমন যেন! ভীষণ অন্যরকম।

বিদঘুটে আঁধার না হলেও কুয়াশার ধাঁধায় ঢাকা,

দিনলিপি এলোমেলো হয় সহজেই, যখন তখন।

এই ভালো তো এই মন্দ!

নিন্দে,অপবাদ,তাচ্ছিল্য,সবদিকে অনিয়ন্ত্রিত যাপন। 

হঠাৎ অস্থির প্রতিটা ক্ষণ, চারপাশে কথার দূষণ,

অদৃশ্য বিষাক্ত থাবা,নীল বেদনার যাতনা,

বুকে চিনচিন শব্দ, বলতে না পারা কুঁকড়ে যাওয়া সুখ,

এ যেন দুঃখবিলাসী মন,

অচেনা অসুখের অজানা লক্ষণ।

নিউরনে অস্বাভাবিক চাপ, ঢিমেতালে ব্যথা,

দৃষ্টিও ঝাপসা হয়ে আসে কদাচিৎ,

মাইগ্রেন তখন চরমে,

টলটলে দেহ, বিকল মন, তারপর অনিচ্ছার বিস্ফোরণ। 

চেনা পৃথিবীটা অচেনা লাগে যে খুব।

মধ্যভাগটা কেমন আবোল তাবোল, ভীষণ বেহায়া!

স্মৃতিদের ভড়ে হারাতে ইচ্ছে করে নিজেকে,

ছোটো হতেও বাধা নেই এতটুকু!

সেই তন্বী সময়টায় ঘুরে-ফিরে মন ,

আদর, ভালোবাসায় জড়াজড়িতে ফিরে যেতে চায়,

মুক্ত বিহঙ্গের মতো,কভু প্রজাপতির মতো উড়ে যায়,

কভু দিগন্তের ওপারে ছুটে যায়।

এই যে সবই আমার, আবার কোনোকিছুই আমার নয়।

ওরা কাতরায় অনবরত, অজানা ছোঁয়াছে রোগে কাতরায়,

কভু সুখে, কভু অসুখে, কভু অস্থির দ্বিচারিণী মনে।

প্রিয় পৃথিবীটা এত সংকীর্ণ কেন!!

আরেকটু বড় হতে পারতো…!”

মধ্যবয়সী নর/নারীর নাকি আলাদা নাম হওয়া উচিত, ঠিক সদ্য ঋতুবতীর যেমন আলাদা একটা নাম হয় কিংবা কিশোরের দামাল ছেলের চঞ্চলতার বয়ঃসন্ধি ! মধ্যবয়সীর সৌন্দর্য দ্বিগুণ, তিনগুণ বাড়তি হয় শুনেছি, সেটা বয়সের আধেক পেরুয়ে অভিজ্ঞতার ঝুলিতে প্রাপ্তির জন্যে নাকি সূর্যটা ঠিক মাঝ গগনে উঠে এসে সোনালী আঁচ ছড়াচ্ছে সে কারণে এটা নিয়ে মতভেদ থাকতেই পারে তাই ঐদিকটায় আজ নাইবা হাঁটলাম। আজ হাঁটতে হাঁটতে জীবনে চলার পথের দুপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নিজের কিছু কথা বলতে এসেছি,আমি এটাকে বলছি বোধ, জীবনবোধের গল্প।

তোমরা/আপনারা অন্যকোনো নামেও চিনতে পারো হয়তো। যেহেতু জীবনবোধ এক্ষেত্রেও মত পার্থক্য থাকবে অবশ্যই। কারণ এক একজনের জীবনবোধ ভিন্ন রকমের হয়। এবং এটাই স্বাভাবিক। তবে বিবাদের অগ্নিকুণ্ডে জ্বলতে নয় ভালোবাসার ফোয়ারাতে জল ঢালতেই এগিয়ে আসুক বোধ,সময়। 

সময়ের দোলাচালে আধুনিক দম্পতিদের চলাফেরা কথাবার্তায় দারুণ একটা চপলতা দেখা যায়, ঠিক শব্দটা এখানে ঠোঁটকাটা বলতে গিয়েও আটকে যেতে পারে। হয়তো ওরা অনেক খোলামেলা কথা বলতে পছন্দ করে, নিজেদের ভালোবাসা প্রকাশ করে নিজের মতো করেই, এমনকি নিজেদের ইচ্ছেটাকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে হয়তো কোথাও ঘরের পুরোনো নিয়মটা পাল্টে গেছে সবার অলক্ষ্যেই। এটা নিয়ে আমাদের আগের প্রজন্মের কেউ, মা-খালারা/বাবা-মামারা, এমনকি নিজেরাও আড়ালে-আবডালে নাকসিঁটকাতে মশগুল(ব্যতিক্রম আছে অবশ্যই)। কেউ কেউ ওদেরকে ওভারস্মার্ট, নটাঙ্গী বলেও তকমা লাগিয়ে দেয়। এবং এটা ঘর থেকে যতটা না প্রচার প্রসার হয়, দেয়ালের কানে কান লাগিয়ে বাতাসেই বেশি কানাকানি ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় পারিবারিক অশান্তির গোড়াপত্তন …..। মনটা হয়তো বেরিয়ে আসতে চায় পথ খুঁজে চলে শুধু….

ধরাই যাক স্ত্রীর পিরিয়ডের ব্যথায় নিজের ছেলেটাকে বা ভাইটাকে খুব সিরিয়াস হতে দেখে শুধু চমকেই গেলেন না,যেখানে নিজেদের চাহিদার কথা বলতে দ্বিধা ছিলো ১০০%, সেখানে এত এত আহ্লাদীপনা দেখে লজ্জায় মাথা নত হলো বলে ধিক্কার দিতেও দেরী করলেন না। হুম এটা একটা পুরোনো কাসুন্দি টেনে এনে মনোযোগ আকর্ষণ করছি। ভাবুন তো নিজেদের দাম্পত্যজীবনও কম সুন্দর ছিলো! নাইবা হলো ভালোবাসায় এত প্রকাশ্যে মাখামাখি, শাড়ির কুচিটা নাইবা ধরলো পতিদেব কিন্তু সময়ের দোলাচালে  নিজেদের চোখে হারানো, কিংবা রোমাঞ্চকর, সুখকর অনুভূতিটাকে অস্বীকার বা অশ্রদ্ধা করা যায়! উপেক্ষা করা যায় কী সেদিনের সেই আলগা পীরিতি কিংবা মাখো মাখো প্রেমে পেরিয়ে আসা সময়টুকু! শুধু এতটুকু মনে রাখলেই কিন্তু কিছুটা ছাড় দেয়া যায় পুরোটা। নিজেকে টেনে অন্যের সাথে তুলনা জিনিসটাকেই উপেক্ষা করা প্রয়োজন,অপরিহার্যও বটে।

“ভালোবাসি” শব্দটা শুনতে আর বলতে দুদিক থেকেই সুন্দর। হয়নি বলা কোনোকালে, তাই বলে এখন কালেভদ্রে ভালোবাসি বলতে দোষ কোথায়! মনখুলে বলেই ফেলি ভালোবাসি তোমায়….একটু বেশিই রোমাঞ্চিত হয়ে গেলো কী! ভাবছেন আদিখ্যেতার শেষ নাই আর। কিন্তু কবিতায় যে বলি,বার কয়েক ভালোবাসি বললেই ভালোবাসা হয়ে যায় না, চোখের ভাষায়,কাজে কর্মেও বুঝি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। রেললাইনের পাটাতনে কিংবা বেলাভূমিতে নাইবা হাঁটলেন হাত ধরাধরি করে, বিপদে/প্রয়োজনে যে হাতটি নীরবে এগিয়ে দেয়, চোখের ইশারাতে বুঝিয়ে দেয় আমি আছি তো পাশে…তাকে আপনি কী নামে ডাকবেন!

ঐ নীরব নৈঃশব্দের আওয়াজটাকেই ভালোবাসি বলুন। ঘুচে যাবে একজনমের ভালোবাসার স্বাদ।বেলাভূমির বালুকাবেলায় সমুদ্রের বিশালতায় প্রতিধ্বনিত হোক ভালোবাসি তোমায়।

ঘড়ির কাটা ঘুরছে যখন অলসহীনভাবে তাল সামলাতে গিয়েই কোথাও অভিমানে খুনসুটিতে,কারো আচরণ নিয়ে, কারো চঞ্চলতা কিংবা অবাধ্যতা নিয়ে দূরত্ব বেড়েছে অনেক। চাওয়া পাওয়ার ঘাটতি হলে,

স্বাধীনতায় বাধা আসলে ভিলেন নয়তো প্রতিপক্ষ ভাবা খুব স্বাভাবিক, এটাও পুরোনো কাসুন্দিই বটে। নিজেদের ক্ষেত্রেই, যত্রতত্র ঘটছে তা ঘটছে অহরহ। মনোবিজ্ঞানীরা নেগেটিভিটি কাটিয়ে কাছে আসার,বন্ধু হবার তাগাদা দেন খুব। চরম সত্যি এটাই….

অপেক্ষা করুন,পাশে থাকুন, খেয়াল রাখুন, ভালোবাসুন। কেউ বয়ঃসন্ধি অতিক্রম করছে, কেউ জীবনের মধুর সময় যাপনে ব্যস্ত, কেউ ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। তাই ওদেরকে সময়ে বলতে দিন ওদের মনের কথাগুলো। বয়সের চঞ্চলতা কাটিয়ে, কিংবা অসময়ের টানাপোড়েন শেষে, মনের দরজা খুলে উঠার সাথে সাথে পজিটিভ দিকগুলোর প্রশংসায় মেতে উঠুন। শেয়ার করুন ওদের প্রতি আপনার আন্তরিকতার বিষয় সব, সুখকর মুহূর্তগুলোও। নিজের ভালোলাগাকে মেলে ধরুন আয়নার সামনে ত্রুটিগুলোও চোখ এড়িয়ে না যাক। এখানেও নিজের শৈশব কৈশোরের তুলনা নয়, মাপকাঠির হিসেবটা গৌণ হোক,ভালোবাসি কথাটাই মূখ্য হোক।

চোখ খুলে দেখি,কতক আপন ঝুলে আছে চোরাকাঁটায় কেউ জড়িয়ে আছে অদৃশ্য মায়ায়। কেউ কাঁদছে নীরবে একাকিত্বের অভিশাপে,কেউবা নতুনদের গলগলিতে হাসছে। সবার মাঝে থেকেও একা হওয়ার বিলাসিতা কে কত সয়ে নিতে পারে!

শেষধাপে বলি,আপন পর সবাইকেই ভালোবাসি বলি। বেলা সায়াহ্নে এসে কখন কার হাতটা ধরে উঠে বসি! কিংবা পুরোনো গল্প সব চেখে দেখতে কাকে একান্তে কাছে পাই! তার হিসেব সত্যিই ন’ জানি। দু’দিনের পৃথিবীর এই অতিথিশালার টালমাটাল হাওয়ায় ভাসতে ভাসতে কে কোথায় গিয়ে নোঙর ফেলি, কার ছত্রছায়ায় সঁপে দিতে হয় নিজেকে একেবারেই অজানা সবার। আজ থেকেই নাহয় ভালোবাসার ইচ্ছেটাকে শাণ দেই, প্রয়োজনের তাগিদে নয়, ভালোবাসার অধিকারেই হেসে উঠুক শেষ হাসিটা সবার।

অভিমান থাকুক,অভিযোগও মৌনতায় হাঁটুক, সাদামাটা ঘরটায় খুঁনসুটিতে মেতে উঠুক, আঁধার পথে জোনাকির মতো জ্বলুক ভালোবাসার আলো। নিজেকে বিশ্বাস করাতে চাই ভালোবাসতে জানি আমিও,আপনি/তুমিও।

“প্রিয় যদি হয়ে থাকি, ভালোবাসা হয়ে থাকে কোনকালে,

ঐ ডাকে অনায়াসে কেঁপে উঠবে কর্ণকুহর,

মায়াজালে ঢাকা কৃষ্ণগহ্বর,

অচেনা পিচ্ছিল পথও দূর্বার আস্তরণে ভরে উঠবে।

অদেখা রাজ্যে বনে বাগানে ফুলেরা সভা ডাকবে,

শ্রাবণধারার মত সুবাসের বন্যা বয়ে যাবে।

উড়ো মেঘের দল ঝুমবৃষ্টিতে কাশেরবন ভিজিয়ে দিবে।

সে ডাক উপেক্ষা করার শক্তি আমার নেই,ছিল না কভু।”

পৃথিবী ঘুরছে ঘুরুক আপন তালে, সময়ও দুলতে দুলতে পাড়ি দিক হাজার আলোক বর্ষ ধরে ছায়াপথের পথে, আমরা কেবল ভালোবেসে যাই…। 

আরেকবার কবিতায় সাজাই যদি…..

আমাদের প্রেমের গল্পটা এমন হয় যদি!

প্রেম পূরাণের গল্পের মতো, ধরে নিই গল্পটা এমনই,

যা হওয়া উচিত,

সূচনা থেকে উপসংহারে টেনে নিই।

একটা তুমিময় সকাল থেকে তোমাদের কোলাহলে পটিপাটি বিকেল,

একটা গল্পের দুপুর,

একটা জমকালো আড্ডার সন্ধ্যে, তারপর মায়াবী রাত। 

চোখ জুড়ে ঘুম আসুক, আধো ঘুমে স্বপ্ন হাঁটুক, স্বপ্ন ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাক ভালোবাসার দেয়া বাড়ি।

এমনই যেন হয়,

প্রতিদিন হোক ভালো থাকার নিত্য নতুন বাহানা,

হুটহাট ইচ্ছেদের আনাগোনা,

উড়াল দিয়ে উড়ে যাক মনঘুড়ি,

গোধূলিতে ফিরে আসার ভিতটা শক্ত থাক,

নাটাই-সূতোর টানটাও হোক দারুণ মজবুত।

ক্ষণে ক্ষণে আসুক সূচী পরিবর্তনের তাগিদ,

তবে,আমি তুমিতে স্থির হবে না কিছুই,সবকিছু হবে কেবল আমাদেরই।

আমাদের প্রেমের বাড়াবাড়ি হবে হোক শতভাগ, 

বিস্বাদের অপ্রেমটা একেবারে ধুলোতে মিশে যাক,

সুখ নামক পাখিটা অধরাই থাকুক,

নীলাভ কষ্টটা গৌণ হোক,

আনন্দটা পূর্ণতা পাক।

আটপৌরে জীবনে নতুনের চাষ হোক দিবানিশি,

পুরাতনের ছাঁচে গড়ে উঠুক পলিময় ঢিবি।

না কেউই গোমড়ামুখে থাকে না এখানে,থাকবে না একদম, 

এমনটা যেন হতেই পারে না,কস্মিনকালে।

এদিকে, ক্লান্তিরা ছুটোছুটিতে ব্যস্ত রবে, বুকের দেয়ালে দ্রিমদ্রিম হাতুড়ি পেটাবে,

একসময় অভিমানের দলা পাকিয়ে নিক্ষিপ্ত হবে বাইরের দেয়ালেরও কিছুটা দূরে,

সদর দরজার ছিটকিনিটা আটকানো থাক,

ওদের সামনে আসতে দিতে নেই, ঢের সময় পড়ে আছে তাদের নিয়ে ভাববার, এখুনি নয়।

দিনশেষে বলতে পারি অকপটে,

এই ঘরটা ভীষণ ভীষণ প্রিয় আমার, ঠিক যেমন তুমি- তোমরাও।।

অগোছালো তবু, সংসারটা মায়াজালে বেঁধে নিয়েছি,

প্রতিটি দেয়াল জুড়ে ভালোবাসার প্রলেপ মেখেছি,

তোমাদের হৃদ পাঁজরে একেকটা প্রেম চিহ্ন এঁকেছি।

উপসংহারটা এমন হয় যদি,মন থেকেই মেনে নিয়েছি সেদিনের এমন প্রেম সংলাপ,

যেমনটি চেয়েছিলে তুমি…

“তোমাকে দেয়া কথাগুলো বিশ্বাসের জপমালায় গেঁথেছি,

যতক্ষণ সবাই সতেজ রইবে ঝরে পড়ার ভয় নেই।

আমি তো আঁটসাঁট করেই বেঁধেছি প্রেমের জপমালা,

পরিচর্যার দায়িত্ব তোমারই।

তোমার/তোমাদের অপ্রেমে ঝরে যায় যদি প্রেমফুল,

এ দায় আমার নয় কোনোভাবেই।”

এমনই একটা মিষ্টি প্রেমের গাঁথুনি, একটা গল্প সত্যি করে দিতে ইচ্ছের কমতি ছিলো না কোথাও,

যেটুকু ছিলো সেটা নিতান্তই প্রেমের বাড়াবাড়ি…

কী পারলাম তো!!